×

Everyday: 10:00AM - 10:00PM

(+88) 01708500125

+8801708-500125

Email: care@hellodoctor.asia



× Home Our Doctors Blog Contact Us
+880-01708-500125
Everyday: 10:00AM - 10:00PM Email: care@hellodoctor.asia
Title Image

Blog

Home  /  Blog

মাসিক ছাড়া অস্বাভাবিক ব্লিডিং অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে

ডাঃ এস.এন বন্দ্যোপাধ্যায়
2019-02-01 14:22:08

সারকোমা একটি ক্যানসার। ফাইব্রো সারকোমা বা লিওমায়ো সারকোমা ইউটেরাসের মাসলে হয়। আগে ধারণা ছিল ফাইব্রো সারকোম হয় ফাইব্রয়েড থেকে। বর্তমানে দেখা গেছে এটির সূত্রপাত হয় সম্পূর্ণ নিজের থেকে। এই রোগটি সম্পূর্ণত একটি ক্যানসার রোগ। শতকরা .২২-.৫ মহিলাদের মধ্যে দেখা যায়। আনুপাতিক হারে ৩১ থেকে ৪০ বছর .২ শতাংশ, ৪১-৫০ বছরে ০.৯ শতাংশ, ৫১-৬০ বছরে ১.৪ শতাংশ, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১.৭ শতাংশ মহিলাকে এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

ফাইব্রয়েড থেকে লিও মায়োসারকোমা হয় না। বয়স বাড়ার সাথে সাথে রোগটি হবার প্রবণতা দেখা যায়।

লক্ষণ

অস্বাভাবিক রকম রক্তপাত, তলপেটে একটা লাম্প দেখা যায়। যন্ত্রণাও হতে পারে। এই সমস্ত লক্ষণ নিয়ে যখন কোনো মহিলা ডাক্তারবাবুর কাছে যাবেন, ডাক্তারবাবু প্রথম তার ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করবেন পরে ইউ.এস.জি এবং প্রয়োজনে এম.আর.আই করাতে পারেন। এতে করে রোগটি সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। রোগটি যে সারকোমা সেটা জানতে বায়োপসি করা হবে।

সারকোমা

  • অনেক সময় ফাইব্রয়েড টিউমারের ফলোআপ চিকিৎসায় ইউ.এস.জি করে দেখা যায় টিউমারটি বড় হয়ে গেছে অনেকটা। যে টিউমারটা আগে তিন সেমি ছিল, দু’তিন মাসের মধ্যে সেটা ছ’সে.মি হয়ে গেছে। তখন এই ধরনের ক্যানসারের কথা মাথায় রাখতে হবে।
  • পোস্ট মেনোপজাল রোগীর যদি হঠাৎ করে টিউমার হয় তাহলে দু’টো জিনিস মনে রাখতে হবে, ফাইব্রয়েডের পিছনে সাধারণত হরমোন নির্ভর ইস্ট্রোজেন হরমোনোর প্রভাব থাকে। মেনোপজ হলে টিউমারটা ছোট হয়ে যাবে কিন্তু সেটা না হয়ে টিউমারটা যদি বাড়তে শুরু করে তাহলে সারকোমার কথা ভাবতেই হবে।
  • রক্ত পরীক্ষা করতে গিয়ে যদি এল.ডি.এইচ বেশি দেখা যায় তাহলে সারকোমা হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
  • ইউ.এস.জি করতে গিয়ে যদি ‍টিউমারে রক্ত চলাচল বেশি দেখা যায় তাহলেও সারকোমা সন্দেহ করতে হবে।
  • জি.এন.আর.এইচ. অ্যানালগ ইঞ্জেকশন ব্যবহারে। এন্ডোমেট্রিয়োসিস, ফাইব্রয়েড চুপসে ছোট হয়ে যায়। এই ইঞ্জেকশন দিয়ে ডাক্তারবাবুরা অপেক্ষা করেন ফলাফলটা কী হচ্ছে দেখার জন্য। যদি সারকোমা থাকে তাহলে চুপসানোর পরিবর্তে তা বাড়তে থাকবে। যদি এল.ডি.এইচ ও এনজাইম বেশি থাকে তাহলে সারকোমা হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

চিকিৎসা

ফাইব্রয়েড অপারেশনের সময় যদি মনে হয় বেশি রক্ত চলাচল করছে, তাহলে সন্দেহ করা হয় ডিজেনারেশন আছে ও নেক্রোসিস অর্থাৎ পচা-পচা ভাব আছে। সেক্ষেত্রে ফ্রোজেন সেকশন বায়োপসি করা হয় ও.টি-র টেবিলেই। কিছুক্ষণের মধ্যে রিপোর্ট এসে যায় এবং অপারেশন সম্পূর্ণ করতে হয়।

ফ্রোজের সেকশন-এর ক্ষেত্রে সবসময় বায়োপসিতে পজেটিভ আসে না। এক তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে হয়তো পজেটিভ হয়।

নিশ্চিতভাবে ক্যানসার হয়েছে জানতে হলে কমপ্লিট অপারেশনের পরে বায়োপসি করাই যুক্তিযুক্ত।

অপারেশনে ইউটেরাস, ওভারি বাদ দিতে হতে পারে। এখানে বয়সটা একটা ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। সেক্ষেত্রে মায়োমেক্টমির মাধ্যমে টিউমার বাদ দেওয়া হয়। বায়োপসি রিপোর্ট পজেটিভ থাকলে ইউটেরাস ও ওভারি বাদ দিতে হতে পারে তাই চিকিৎসা সবসময় নির্ভর করে রোগের স্টেজের ওপর।

ক্যানসার যদি আর্লি স্টেজে থাকে এবং টিউমার তিন সে.মি হয় তাহলে রোগীর ভালো হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কিন্তু যদি টিউমারটি পাঁচ সে.মি. বা তার বেশি থাকে তাহলে রেজাল্ট ভালো হয় না। যদি প্যাথোলজিক্যাল দেখা হয় তাহলে লক্ষ্য রাখতে হবে মাইটোটিক ফিগারের দিকে। যেখানে কোষবিভাজন বেশি, ১০/এইচ.পি.এফ।

এখানে কোমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি কোনো কাজে আসে না। ক্যানসার লিম্ফনোড ও রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্যস্থানে ছড়িয়ে পড়ে, যেমন লাং, ব্রেন ইত্যাদি।

সাবধানতা

পিরিয়ড ছাড়া কোনোরকম অস্বাভাবিক ব্লিডিং হলে ডাক্তারবাবুকে অবশ্যই দেখিয়ে সন্দেহ মুক্ত থাকুন। দরকারে ডাক্তারবাবু এম.আর.আই, ইউ.এস.জি করে দেখে নেবেন। যদি সন্দেহ থাকে তিনি অপারেশন করবেন। দরকারে ইউটেরাস বাদও যেতে পারে, ওভারি থাকলে ক্ষতি নেই। হরমোনের সাথে সারকোমার কোনো সম্পর্ক নেই। যদি রক্তের মাধ্যমে তা লাংসে ছড়িয়ে পড়ে তখন থোরাসিক সার্জারি করে রেডিয়েশন দেওয়া হয়। সারকোমাতে রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি কোনো কাজ করে না। রেডিয়েশন দেওয়ার ফলে স্থানীয়ভাবে ছড়ায় না কিন্তু স্টেজ বেড়ে গেলে রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফলো আপে থাকতেই হবে। মাঝে মাঝে সি.টি. স্ক্যান বা চেস্ট এক্স-রে করে দেখে নিতে হবে। কমপক্ষে পাঁচ বছর ফলো আপে থাকতে হবে। ডাক্তারবাবু যদি বলেন লাইফ-লং ফলো আপে থাকতে তো সেটা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

সৌজন্যে: ‘সুস্বাস্থ্য’ – কলকাতা থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় স্বাস্থ্য বিষয়ক ম্যাগাজিন


Warning: Constant DB_USERNAME already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 2

Warning: Constant DB_PASSWORD already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 3

Warning: Constant DB_HOST already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 4

Warning: Constant DB_NAME already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 5