×

Everyday: 10:00AM - 10:00PM

(+88) 01708500125

+8801708-500125

Email: care@hellodoctor.asia



× Home Our Doctors Blog Contact Us
+880-01708-500125
Everyday: 10:00AM - 10:00PM Email: care@hellodoctor.asia
Title Image

Blog

Home  /  Blog

হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হলে লিভার ফেলিওর হয়ে মৃত্যুও হতে পারে

হ্যালো ডাক্তার ব্লগ টিম
2018-10-09 15:09:24

কি ভাবে মানুষ হেপাটাইটিস-এ ও ই-এর দ্বারা আক্রান্ত হয় ? ভাইরাস সংক্রামিত খাদ্য ও জল থেকেই এই রোগ ছড়ায় । যদি সংক্রামিত ব্যাক্তি শৌচালয় ব্যাবহার করার পরে হাত না ধুয়ে খাবারে হাত দেয়, তাহলে খুব সহজেই এই রোগ ছড়ায় । বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং যথোপযুক্ত শৌচালয় থেকে এই রোগ ছড়ায় । এছাড়া যদি কোন ব্যাক্তি সংক্রামিত কোন ব্যাক্তির সংস্পর্শে আসে তাহলেও এই রোগ ছড়ায় । হেপাটাইটিস ই-এর সংক্রমন ঘটে দূষিত জল থেকে । সাধারনত এই রোগ একজনের থেকে অন্য জণের মধ্যে ছড়ায় না । এক জণের থেকে অন্য শরীরে রক্ত সষ্ঞালনের সময় হেপাটাইটিস ই-সংক্রমন হতে পারে, তবে তা খুব কম ক্ষেত্রেই লক্ষ করা যায় । এই রোগের লক্ষন গুলো কি কি ? প্রথম দিকে শারীরিক দুর্বলতা লক্ষ করা যায় । এই রোগের প্রাথমিক লক্ষন গুলো হলো-ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, খিদে না হওয়া , ১০০% ফারেনহাইটের উপর জ্বর হওয়া, পেটের ডান দিকে ব্যথা, পরে আরো কিছু উপসর্গ লক্ষ্য করা যায়, যেমন: ঘাঢ় রঙের প্রস্রাব হালকা রঙের মল জনডিস, যেখানে ত্বক এবং চোখের সাদা অংশ পান্ডুর বর্ণ ধারন করে চুলকানিও থাকতে পারে তবে হেপাটাইটিস এ-এর তুলনায় ই-এর লক্ষন গুলো আরো গুরুতর । বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগী পুরোপুরি ভাবে সেরে উঠে, তবে কিছু ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস এ এবং ই এর কারনে লিভার অচল হতে পারে । যার ফলে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে (০.৫% – ০৩% ) । হেপাটাইটিস এ ও ই কে চিহ্নিত করার জন্য কি কি পরীক্ষা করা প্রয়োজন ?লিভার ফাংশন বোঝার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয় । কিছু কিছু ক্ষেত্রে তলপেটের আলট্রাসোনোগ্রাফি করার প্রয়োজন পড়ে । এই রোগের জটিলতা গুলো কি কি ? বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস এ এবং ই আক্রান্ত ব্যক্তি দু’ থেকে তিন মাসের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে উঠে এবং কয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় সকলেই পুরোপুরি ভাবে সুস্থ্য হয়ে যান । তবে সংক্রমিত হওয়ার ছয় থেকে ন’ মাসের মধ্যে দশ থেকে পনেরো শতাংশ রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে ।সবচেয়ে ক্ষতিকারক ঘটনা হলো হেপাটাইটিস ভাইরাসের দ্বারা সংক্রমিত হয়ে লিভার ফেলিওর হতে পারে, যার কারনে মৃত্যুও হতে পারে । তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটে । কিন্তু অতিরিক্ত মদ্যপানের কারনে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে লিভারের জটিলতা আরো বৃদ্ধি পায়, সে ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস বি এবং সি এর সংক্রমনও ঘটতে পারে । গর্ভবতী মহিলা যারা অপুষ্টিতে ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রেও হেপাটিক ফেলিওর লক্ষ্য করা যায় । হেপাটাইটিস এ এবং ই দ্বারা সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে লিভারের ক্রনিক রোগের উপসম ঘটে না ।এই রোগের চিকিৎসা কি ?হেপাটাইটিস এ এবং ই এর চিকিৎসা বাড়িতেই করা যায় । এই রোগ থেকে সেরে উঠার জন্য রোগীর প্রয়োজন বিশ্রাম । কোনরকম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই । সুস্থ্য-স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য কতটা সময় প্রয়োজন তা ব্যক্তি সাপেক্ষে ভিন্ন হয় । যতদিন না পর্যন্ত জ¦র এবং জন্ডিস পুরোপুরিভাবে সারছে এবং খাওয়ার ইচ্ছে পুরেপুরিভাবে না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত কর্মক্ষেত্রে ফেরত না যওয়াই উচিত ।তবে সেওে উঠার পর রোগীকে মধ্যপান থেকে সর্ম্পূন দুরে থাকতে হবে । এই সময় মধ্যপান লিভারের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক । খুব অল্প ক্ষেত্রেই হেপাটইিটিস এ এবং ই সংক্রমিত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় । লিভারের গতিবিধি লক্ষ্য করা ছাড়াও ডিহাইড্রেশনের জন্য এবং উপযুক্ত পুষ্টি সরবরাহের জন্য ।রোগ প্রতিরোধের জন্য কি কোন টিকার প্রয়োজন আছে ?হেপাটাইটিস এ ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া যায় । হেপাটাইটিস ই প্রতিরোধকারী ভ্যাকসিন নিয়ে পরীক্ষ-নিরীক্ষা চলছে । যারা দু’বার হেপাটাইটিস এ প্রতিরোধকারী টিকা নিয়েছেন, তাদের এই রোগ থেকে সম্পূর্ন ভাবে মুক্তি ঘটে । প্রথম প্রতিষেধক টিকা নেওয়ার ছয় মাস থেকে বারো মাস পর দ্বিতীয় টিকাটি নিতে হয় । প্রাথমিক ডোজটি দীর্ঘকালিন প্রতিরোধের জন্য । টীকা নেওয়ার পর সাধারনত সেই স্থানে লালছে ভাব এবং শারীরিক অস্বস্তি অনুভূত হয় । ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রতিষেধক টিকার দ্বারা হেপাটাইটিস এ কে সাময়িকভাবে প্রতিরোধ করা যায় এবং ৯০% ক্ষেত্রে সংক্রমনের ঝুঁকি এড়ানো যায় । যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস এ এর টিকার ব্যাবহার বেশি করা হয় কারন হেপাটাইটিস এ দীর্ঘকালীন সুরক্ষা প্রদান করে । ভাইরাস কবলিত এলাকায় যাওয়ার আগে একটি ইমিউনোগ্লোবিন প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয় । সাধারনত তিন মাসের জন্য একটি প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয় ।সৌজন্যে: ‘সুস্বাস্থ্য’ – কলকাতা থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় স্বাস্থ্য বিষয়ক ম্যাগাজিন ।


Warning: Constant DB_USERNAME already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 2

Warning: Constant DB_PASSWORD already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 3

Warning: Constant DB_HOST already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 4

Warning: Constant DB_NAME already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 5