×

Everyday: 10:00AM - 10:00PM

(+88) 01708500125

+8801708-500125

Email: care@hellodoctor.asia



× Home Our Doctors Blog Contact Us
+880-01708-500125
Everyday: 10:00AM - 10:00PM Email: care@hellodoctor.asia
Title Image

Blog

Home  /  Blog

ভেষজ ব্যবহার করেও হৃদরোগ থেকে মেলে মুক্তি

হ্যালো ডাক্তার ব্লগ টিম
2019-01-25 15:31:52

হৃদরোগ বা হার্টের রোগের নিরাময়ে আছে অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি ভেষজ। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ব্যবহার করলে দারুণ উপকার মেলে। এমনই কয়েকটি ভেষজ হল—

  • পাকা চালকুমড়ো হালুয়া করে কয়েকদিন খেলে হৃদস্ফীতি জনিত কারণে সৃষ্ট সব রকম উপসর্গ দূর হয়।
  • কুন্দপাতার রস তিন-চার চামচ পরিমাণে নিয়ে জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে অন্তত দু’বার খেলে কয়েক দিনের মধ্যেই বুকের ধড়পঢ়ানি ও হৃদপীড়া দ্রুত সেরে যায়।
  • তুলসী পাতাকে চায়ের মতো করে গরম জলে সেদ্ধ করে সেই জল কয়েকদিন খেলে অন্যান্য উপসর্গের সঙ্গে হৃদপিন্ডের ঘটিত রোগ নিরাময় হয়। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও এর ব্যাপক ব্যবহার পাওয়া যায়।
  • ডালিম ফলের রস দু’ থেকে চার চামচ নিয়ে তার সঙ্গে অল্প একটু ঘৃতকুমারীরর শাঁস মিশিয়ে খেলে দুরারোগ্য হৃদপীড়া দূর হয়।
  • পাশাপশি হৃদপিন্ডকে সতেজ ও সক্রিয় করে।
  • ইলিওকারপাস জেনিট্রাস বা রুদ্রাক্ষ বীজ ঘষে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে কয়েকদিন খেলে হৃদপিন্ডের অনাক্রম্যতা বাড়ে ও হৃদঘটিত সব রকম উপসর্ঘেল দূরীভূত হয়। প্রাচীনকালে মুনি ঋষিদের মধ্যে এর ব্যবহার ব্যাপক ছিল।
  • প্রেমন্যা ল্যাটিফোলিয়া বা অগ্নিমন্থ গাছের ছাল চূর্ণ করে দু’ থেকে তিনগ্রাম মাত্রায় নিয়ে জলের সঙ্গে সরবত করে খেলে অস্বাভাবিক মেদ জনিত কারণে হওয়া হৃদপিন্ড ঘটিত রোগ বা উপসর্গ থেকে মুক্তি মেলে।
  • জাইজিফাস স্যাটিভা অর্থাৎ বদর বা কুবল শুকিয়ে গুঁড়ো করে তিন থেকে চার গ্রাম মাত্রায় নিয়ে জলের সঙ্গে সরবত করে সকালে ও বিকেলে নিয়মিত কয়েকদিন খেলে সব রকম হৃতরোগের দ্রুত উপশোম হয়।
  • যষ্টিমধু গাছের মূল যা বাজারে পাওয়া যায় তা হৃদপীড়া নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই যষ্টিমধু চূর্ণ দু’গ্রাম মাত্রায় নিয়ে এর সঙ্গে সামান্য দুধ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে খেলে কয়েক দিনের মধ্যে বুকের ধড়ফড়ানি, বুকের ব্যথা ও অন্যানঅ হৃদপীড়া জনিত উপসর্গ দূরীভূত হয়।
  • যবের দানা আধ কুটা করে চার থেকে পাঁচ চামচ নিয়ে এক গ্লাস ঠান্ডা জলে রেখে আট থেকে দশ ঘন্টা পরে ছেঁকে নিয়ে জলটা দিনে কয়েকবার করে খেলে বুকের ধড়ফড়ানি ও হৃদপীড়া দূর হবে।
  • গুড়মা গাছের পাতার রস যেমন রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায় তেমনি এই গাছের দু’ তিনটি ফল সেদ্ধ করে সেই জল নির্দিষ্ট পরিমাণে খেলে শ্লেষ্মাঘটিত হৃদপীড়া দূর হয়।
  • প্যাভোনিয়া অডোরেটা বা হ্রীবের সুগন্ধী মূল দু’ থেকে তিন গ্রাম মতো নিয়ে অন্তত দিনে দু’বার চিবিয়ে খেলে মেদ সম্বলিত দেহের হৃদপীড়া দূর হয়।
  • আপেলের টাটকা রস সাত-আট চামচ পরিমাণ নিয়ে দিনে দু’বার অন্তত খেলে গ্যাস কিংবা অন্য কোনো কারণে সৃষ্ট বুকের ধড়ফড়ানি সহ অন্যান্য হৃদপীড়া দ্রুত দূর হয়। বাজারে পাওয়া বোতলে ভরা আপেল জুস খেলেও এ উপকার পাওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে টাটকা রসই প্রয়োজন।
  • বচ গাছের মূল ও নিমছাল একত্রে ছেঁচে ক্বাথ করে সরবত করে কয়েকদিন অন্তত একবার করে খেলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন ও অন্যান্য হৃদপীড়া তাড়াতাড়ি সেরে যায়।
  • কাজু বা নদীভল্লাতক ফলের বীজ বা বাদাম পাঁচ-সাত গ্রাম মতো নিয়ে বেটে চিনি মিশিয়ে সরবত করে দিনে অন্তত দু’বার খেলে বুক ধড়ফড়ানিসহ হৃদপিন্ড ঘটিত রোগের উপশম হয়।
  • গার্ডেনিয়া গুম্মিফেরা বা নাড়ীহিঙ্গু গাছের নির্যাস বা আঠা যাকে ডিকামালি বলে তাকে ঘিয়ে ভেজে প্রায় সিকি গ্রাম পরিমাণ নিয়ে সঙ্গে সমপরিমাণ লবণ মিশিয়ে দু’বেলা আহারের পূর্বে দিনে দু’বার করে খেলে বুক ধড়ফড়ানি, টেনশন জনিত অনিদ্রা ও হৃদপীড়ায় খুবই উপকার মেলে। পেটখারাপ থাকলে বা পেটে গ্যাস হলে অবশ্য না খাওয়াই ভালো।
  • কোলিয়াস ফ্রসকলি গাছের মূল থেকে সম্প্রতি আমেরিকার নানা কোম্পানি হৃদরোগ নিরাময়ের জন্য নানা ব্যান্ডের ওষুধ তৈরি করে বাজারে ছেড়েছেন। তাদের দাবি, এর দ্বারা হৃদরোগের উপশম হয়।
  • জটামানসি বা জটিল গাছের মূল পাঁচগ্রাম মতো নিয়ে ভালো করে থেঁতো করে আগের রাত্রে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে ছেঁকে খালিপেটে কেবল জলটাই খেতে হবে। কয়েকদিন পরে সবরকম হৃদপীড়া দ্রুত দূর হয়।
  • ছোট এলাচবীজ ও পিপুল চূর্ণ সমপরিমাণে নিয়ে একটু গাওয়া ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দু’বার খেলে হাঁপানিসহ হৃদপীড়া বা কার্ডিয়াক অ্যাজমা দ্রুত সেরে যায়।
  • স্যানসিভায়েরিয়া রক্সবারজিয়ানা বা মুর্ব্বা গাছের মূল হৃদপীড়ার সঙ্গে শ্বাসকষ্টে অব্যর্থ কাজ করে। এই মূল দশ থেকে বারোগ্রাম এক কাপ জলে সেদ্ধ করে আধ কাপ থাকতে ছেঁকে নিয়ে যে জলীয় অংশ পাওয়া যায় তা দিনে অন্তত তিন-চারবার পান করলে কয়েখ দিনের মধ্যেই হৃদপীড়া কমে যায় আর এর জন্য যে শ্বাসকষ্ট, তাও দূর হয়ে যায়।
  • পদ্ম ফুলের পাপড়ির রস সরাসরি কিংবা সরবতের মতো করে খেলে কফ ও পিত্তের কারণে হৃদপিন্ডের সব রকম ব্যথা দ্রুত দূর হয়।

  • সৌজন্যে: ‘সুস্বাস্থ্য’ – কলকাতা থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় স্বাস্থ্য বিষয়ক ম্যাগাজিন


Warning: Constant DB_USERNAME already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 2

Warning: Constant DB_PASSWORD already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 3

Warning: Constant DB_HOST already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 4

Warning: Constant DB_NAME already defined in /www/wwwroot/hellodoctor.asia/footer.php on line 5